নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে সুকৌশলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

0
652

নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে সুকৌশলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়
দ্বীন ইসলাম অনিক, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ ঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলাধীন নবীগঞ্জ খেয়া ঘাট লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ঘাটের ইজারাদাররা তাদের খেয়াল-খুশিমত সরকারি ট্রলার বন্ধ রেখে ব্যক্তিগত টাকায় কেনা ট্রলার দিয়ে জন প্রতি ২ (দুই) টাকা ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী পারাপার করছেন এমনকি সামান্য মালামালের জন্য অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। একই নদী হওয়ার পরেও বন্দর খেয়া ঘাটে বিনা পয়সায় যাত্রীরা নদী পারাপার হতে পারলেও নবীগঞ্জ খেয়া ঘাটে জন প্রতি আসা যাওয়ায় (২ + ২) = ৪ টাকা দিয়ে পার হতে হয়। এই অনিয়ম এবং ইজারাদারদের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সাংসদ এ.কে.এম সেলিম ওসমান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও ইজারাদাররা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীরদর্পে তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে নবীগঞ্জ খেয়া ঘাটে ১০ থেকে ১২টি ব্যক্তিগত ট্রলার দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। সেখানে কোন সরকারি ট্রলার দেখা যায় নি। ফলে বাধ্য হয়েই যাত্রীরা টাকার বিনিময়ে বেসরকারি ট্রলারে নদী পারাপার হচ্ছে। নবীগঞ্জ ঘাটের সরকারি ট্রলার নষ্ট হয়ে যাওয়ার অযুহাতে দীর্ঘদিন ধরে ইজারাদাররা অবৈধ পন্থায় যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। সরকারি ট্রলার না থাকার কারনে ছোট ছোট বেসরকারি ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে নদী পারাপার করছে ইজারাদাররা। মানুষ বাধ্য হইয়েই জীবনের ঝুকি নিয়ে ট্রলারগুলোতে গাদাগাদি করে নদী পার হচ্ছে। তাছাড়াও যাত্রীদের সঙ্গে থাকা সামান্য মালের জন্য ১০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। একই নদীতে বন্দর খেয়া ঘাটে যাত্রী পারাপারে কোন টাকা দিতে হয় না। কিন্তু পাশাপাশি নবীগঞ্জ খেয়া ঘাটে যাত্রীদের নদী পারাপারের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। এমতাবস্থায় নবীগঞ্জ খেয়া ঘাটে যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে এবং বন্দর খেয়া ঘাটের ন্যায় নবীগঞ্জ ঘাটেও যেন যাত্রীরা বিনা টাকায় নদী পারাপার হতে পারে সে বিষয়ে স্থানীয় সাংসদ সদস্য এ.কে.এম সেলিম ওসমান ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছে নবীগঞ্জ বাসী।