সোনারগাঁয়ে তিন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি নেই যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

0
581

সোনারগাঁয়ে তিন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি নেই
রোদ আর কুয়াশায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ
মোঃ শাহ জালাল মিয়া ঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ড। গতকাল বুধবার বেলা ১১টা থেকে ঢাকাগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সায়মা-কবির দম্পতি ও তাঁদের দুই শিশুসস্তান। প্রচন্ডরোদে এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর তাঁরা বাস পেলেন। তখনো কয়েক শ মানুষ রোদে দাঁড়িয়ে বাসের অপেক্ষায়। যাত্রীছাউনির অভাবে এভাবে প্রতিদিন বহু মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। শীতের সকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকা অবস্থায় যাত্রীছাউনির অভাবে এভাবে প্রতিদিন বহু মানুষ খোলা আকাশের নিচে দাড়িয়ে থাকে। ফলে নানা প্রকার ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রন্ত হচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা থেকে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা ঘাট পর্যন্ত দূরত্ব ২৬ কিলোমিটার। এই সড়কের কাঁচপুর, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও মেঘনা ঘাট বাসস্ট্যান্ড ব্যবহার করে মানুষ বিভিন্ন গন্তব্যে যায়। কিন্তু এগুলোর একটিতেও যাত্রীছাউনি নেই।
ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী বলেন, এই সড়কে বাসের স্বল্পতা রয়েছে। যাত্রীদের বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনি ও গণশৌচাগারের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও মেঘনা ঘাট বাসস্ট্যান্ডে কোনো যাত্রীছাউনি ও শৌচাগার নেই। এ জন্য বিভিন্ন সময় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে দেনদরবার করে ও কোনো ফল মেলেনি।
মেঘনা ঘাট এলাকা থেকে বাসে করে মতিঝিলে নিয়মিত কর্মস্থলে (অফিস) যান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা খাইরুর ইসলাম কাজল। তিনি বলেন, যাত্রাবাড়ীতে ফ্লাইওভার চালু হওয়ার পর অনেকেই সোনারগাঁ থেকে অফিস করছেন। তা ছাড়া এলাকার অনেক শিক্ষার্থী ও প্রতিদিন বাড়ি থেকে রাজধানীতে যাচ্ছেন। বাসস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীছাউনি না থাকায় চরম দুভোগ পোহাতে হচ্ছে।