সোনারগাঁও উপজেলা প্রানি সম্পদ কার্যালয়ের কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

0
674

আজকের সোনারগাঁও রির্পোট ঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা প্রানি সম্পদ কার্যালয়ে নানা বির্তকিত কর্মকান্ড করেও বহাল তবিয়তে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে দাপটের সহিত অনিয়ম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দ্র দাসের বিরদ্ধে । তিনি ডাক্তার কিংবা ভেটেরিনারি সার্জন নন কিন্তু অসুস্থ গবাদীপশুদের চিকিৎসা নিতে আসা কৃষকদের ভুল চিকিৎসাপত্র দিয়ে বিভ্রান্ত করছে বলে ভুক্তভোগীরা জানায় । স্থানিয় ফার্মেসির লোকদের সাথে আতাত করে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী ওষধ কিনতে বাদ্য করা হচ্ছে কৃষকদের। নিজেকে কৌশলে প্রানী চিকিৎসক প্রমান করতে নিজের বিজিটিং কার্ডে নিজের কম্পাউন্ডার পদটি গোপন করে সরকারি লগো ব্যবহার করে বিলি করা হচ্ছে । গত ২০১৬ সালের জুলাই মাসে নারীকেলেংকারীতে জরিয়ে পরেছিলেন তিনি । আরেক কম্পউন্ডারের মুসলিম মেয়ের সাথে অবৈধ সর্ম্পক তৈরী করে উপজেলা প্রানি হাসপাতালের ডোরমেটোরিতে এনে কুকর্ম করে এলাকাবাসীর কাছে ধরা পরেন ,নানা বিচার শালিশের পরে ডেপুটেশন দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা অফিসে নিয়ে  যাওয়া হয় । জেলা অফিস ম্যনেজ করে ৩ মাস পরে গত বছরের নভেম্বর মাসে পুনরায় সোনারগাঁয়ে এসে যোগ দেয় । এতে করে এলাকা বাসীদের মধ্যে তিব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে । রাজিব চন্দ্র দাস আমতা আমতা করে নারীকেলেংকারির কথা অস্বিকার করে বলেন এ ব্যপারে আমার জানা নেই । উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকতা যদি অনুমতি দেন তবে চিকিৎসা পত্র দিতে পারেন বলে তিনি জানান । এ ব্যপারে উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন তাকে ডেপুটেশনে জেলা অফিসে নেয়া হয়েছিল । একজন কম্পাউন্ডার চিকিৎসা পত্র দিতে পারেন না এবং বিজিটিং কার্ডে অবশ্যই পদবী ব্যবহার করতে হবে ।