১৯৭১ সালের সম্মুখ যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা বন্দর উপজেলা কমান্ডার আঃলতিফ

0
3136

 

মোঃ দ্বীনইসলাম অনিকঃ- এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম বঙ্গবন্ধুর এই দীপ্ত কন্ঠের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১সালে ভারতের মেলাঘর থেকে গেড়িলা ট্রেনিং নিয়ে দেশকে পাকবাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে সম্মুখ যুদ্ধে যাপিয়ে পরেন বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃলতিফ।মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে  কথা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আঃলতিফের সাথে,তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১সালে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি,আমার গেজেট নাম্বার ২৮৯ সেক্টর নং -২ যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী, সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আলী হায়দার,আমার মন্ত্রণালয় সনদ নাম্বার ম-৮৮১২ মুক্তিবার্তা নং(লালবই)০১০৪০২০০৭৬ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর স্বাক্ষরিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সনদ নং ৪৫৬৩১ পরিচিতি নং ০৩১১০২০০৬৩। তিনি বর্তমানে বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বন্দর উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা,যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সকলের অনুরোধে জনাব আঃলতিফ নির্বাচিত হয়ে বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বিরোধীদের হুশিয়ার করে তিনি বলেন”আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া মুজিব সেনা,আমার বন্দর উপজেলা তথা সাড়া বাংলার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যেকোন মিথ্যা ও বানোয়াট ইতিহাস রচনা এবং স্বরযন্ত্রকে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা মিলে একযোগে প্রতিহত করবো।এরই মধ্যে বন্দর উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সরকারী অনুদান বা ভাতা প্রদান ও অধিকার আদায়ের মাধ্যমে সকল মুক্তিযোদ্ধা,যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কাছে প্রিয় এবং আস্থাভাজন ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আঃলতিফ।মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতিচারিত করে তিনি আরোও বলেন”দেশকে পাকবাহিনীর কবল থেকে রক্ষা করতে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে ভারতের মেলাঘরে ২১দিন গেড়িলা ট্রেনিং করে শত্রুসেনার বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হই,বন্দরের চিতাশাল এলাকায় আমরা মুক্তিযোদ্ধারা সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি,আমি বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে বলতে চাই যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরোধীতা করবে আমরা সকল মুক্তিযোদ্ধারা এর তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সকল অধিকার রক্ষায় একযোগে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।দেশের উন্নয়নে মুক্তিযোদ্ধাদের করনীয় সম্পর্কে বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আঃলতিফ বলেন”বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সর্বদা কাজ করে যাবো।