সোনারগাঁয়ে অবাধে চলছে অবৈধনার্সিংহোম নবজাতকের লাশ ম্যানহোলে

0
2231

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি ম্যানহোলের ভেতর থেকে নবজাতকের  লাশ উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। শনিবার সকালে মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ি মজলিস এলাকা থেকে ওই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের লাশ দাফন করেছে বলে জানায়। মোগরাপাড়া ইউনিয়নের  বাড়ি মজলিস গ্রামের (খন্দকার প্লাজার পিছনে) ময়লা আবর্জনা নিষ্কাষনের ম্যানহোলের ভেতরে শনিবার সকালে একটি নবজাতকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশের জন্য দীর্ঘক্ষন অপেক্ষায় থাকা অবস্থায়  লাশে দূর্গন্ধ বের হতে থাকলে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে দাফন করে।  শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গেলে লাশ পাননি বলে জানায় সোনারগাঁও থানার এসআই মাকসুদুর রহমান। এসআইটি নামের একটি নার্সিং হোমসহ বেশ কয়েকটি নাসিং হোম রয়েছে এই এলাকায়। এসব প্রতিষ্ঠানে  অবৈধভাবে গর্ভপাত সহ নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর  । এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এ কাজে সহায়তা করে বলে জানা গেছে । নিয়মিত মোহরা দিয়ে  নিজেদের বোন অথবা নিকট আত্মীয়র প্রতিষ্ঠান বলে এলাকাবাসীর কাছে প্রকাশ করে ফলে তাদের ভয়ে এলাকাবাসী সবকিছু চেপে যায় ।  খোজ নিয়ে জানা গেছে সোনারগাঁওয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এরকম প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১০ থেকে ১৫ টি । অবৈধ গর্ভপাতের গুরু হিসাবে পরিচিত  রিপন (ভুয়াডাক্তার) নামের একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ । অনুসন্ধানে বেড়িয়েে এসেছে সোনারগাঁয়ে যতগুলো এরকম অবৈধ নাসিং হোম রয়েছে সেখানে কর্মরত ভুয়া ডাক্তার,নার্স ,আয়া বেশীরভাগই তার হাতে গড়া । অল্প পরিশ্রমে বেশী আয়ের লোভ দেখিয়ে প্রথমে তাদেরকে নিজের সহকারি হিসেবে কাজ করায় । কাজ বুঝে গেলে নিজেরাই মালিক বনে এসব ভুয়া প্রতিষ্ঠান  খুলে বসে । সহকর্মীকে বিয়ে করে তার স্ত্রীকে দিয়েও এসব কাজ করাচ্ছে । পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ কর্মিদের মেনেজ করে তাদের মাধ্যমে রোগী সংগ্রহ করে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে  অবৈধ গর্ভপাত ঘটিয়ে মোটা অংকের  টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । রিপন বিভিন্ন এলাকায় এরকম কয়েকটি নার্সিংহোম  প্রতিষ্টা করে প্রশাসনের রোষোনলে পরে এখন বেছে নিয়েছে ভিন্নপথ । ওই এলাকার এসআইটি নামের  নার্সিং হোমের মালিক গ্রাম্য চিকিৎসক শাহিনা পারভীনও তার শিষ্যা । রিপনের সাথে বনিবনা না হওয়াতে পরিবার নিয়ে যে বাড়িতে ভাড়া থাকে নিজের থাকার জায়গাকে নার্সিংহোম বানিয়ে কিছু প্রভাবশালী লোকদের ভাই (নারীলোভী এবং নারী ব্যবসায়ী )সাজিয়ে  দাপটের সহিত চালাচ্ছে অবৈধ গর্ভপাতের মত এসব অপকর্ম । শাহিনা পারভীন বলেন  এ কাজের সঙ্গে আমি জড়িত না। নাসিং হোমের অনুমোদন না পাওয়ায় গত দুই মাস আগে  ছেড়ে দিয়েছি। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধে প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।