সোনারগাঁয়ে জামায়াত নেতা বেলায়েতের কান্ড বঙ্গবন্ধুর ছবি সংযুক্ত তাঁতী লীগের বিলবোর্ড ভাংচুর

0
1515

Untitled-02আজকেরসোনারগাঁওঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলাধীন সাদিপুর ইউনিয়নস্থ বেইলর এলাকায় মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতি মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ তাঁতী লীগের দুইটি বিলবোর্ড লাগানোর পর স্থানীয় নয়াপুর কাঠালিয়াপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে জামায়াত নেতা কথিত তাঁতীলীগ কর্মী দূর্দর্ষ বেলায়েত ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে সকলের সম্মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সংযুক্ত বিলবোর্ড দুটিকে ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় জামায়াত নেতা বেলায়েত জেলা তাঁতী লীগের কথিত সভাপতি ওসমান গণি বেলালের একজন সহযোগী হয়ে বাংলাদেশ তাঁতী লীগের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলহাস প্রধান ও ইরফান উদ্দিন (ইপু)’র উপর রাগান্বিত হয়ে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংযুক্ত দুটি বিলবোর্ড দিনদুপরে জনসম্মুখে ভাংচুর করে আগুনে পুরিয়ে এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করে। বেলায়েত হোসেন সম্পর্কে এলাকায় জানতে চাইলে এলাকাবাসী বলেন, বেলায়েত বিগত বিএনপির আমলে জামায়াত শিবিরের নেতা আবু জাফর চৌধুরীর একজন বিশ্বস্ত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি নিজে এক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর এজেন্ট হয়ে নয়াপুর এলাকায় চাকরী করে লোক ঠকিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণায় ফেলে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে জামায়াত শিবিরের একজন উপর মহলের নেতা বনে যান। বিএনপির আমলে তার ভয়ে সাদিপুর এলাকায় বসবাস করা দায় হয়ে পরেছিল। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সিরাজের সহায়তায় নিজেকে কুকর্মের হাত থেকে বাঁচাতে রং পাল্টে সাদিপুরের আরেক বিএনপি নেতা ওসমান গণি বেলালের হাত ধরে অনুমোদনহীন জেলা তাঁতীলীগের সদস্য পরিচয় দিয়ে সোনারগাঁ থানা তাঁতীলীগের ব্যানার ফেস্টুন ব্যবহার করে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়। তিনি এবং তার নেতা ওসমান গণি বেলাল বিগত বিএনপির আমলে যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ছবিসহ বিলবোর্ড, ফেস্টুন টানিয়ে সোনারগাঁয়ের পুর্বাঞ্চলে সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম করেন। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন তিনি এবং তার নেতা ওসমান গণি বেলাল রাতারাতি কিভাবে জামায়াত শিবিরের নেতা হয়ে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সম্মানিত সংগঠনের পরিচয় দেন? বিলবোর্ড পুরে ফেলার ঘটনা শুনে বেলায়েতের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে আরো অনেকগুলো তাঁতীলীগের বঙ্গবন্ধুর ছবি সংযুক্ত ব্যানার ফেষ্টুন ইট এবং বালুর নিচে ফেলে রেখেছেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ তাঁতী লীগের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলহাস প্রধান বলেন আমরা যার জন্য বাংলী জাতি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর ছবিযুক্ত তাঁতীলীগের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড পুরিয়ে জামায়াত নেতা বেলায়েত ও ওসমান গণি বেলাল যে অপরাধ করেছে, আমির তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এভাবে জামায়াত শিবিরের নেতা হয়ে দিনে দুপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সংযুক্ত ব্যানার, ফেস্টুন ভাংচুর করে আগুনে পুরিয়ে ফেলে সাড়া এলাকা জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের কান্ডারী জননেতা এ.কে.এম শামীম ওসমান সহ জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সোনারগাঁয়ের পুর্বাঞ্চল তথা সাদিপুর এলাকাবাসী।