হাবিবের মা অজুফা বেগমের দাবী নারী ও ডাকাত নাটক বিল্লালের সাজানো !

0
2235

Untitled-02আজকের সোনারগাঁওঃ সোনারগাঁ থানা পুলিশের দুই এসআই ও রুমা নামের এক নারীসহ কয়েকজনকে ডাকাত সন্দেহে মারধরের ঘটনায় আলোচনা সমালোচনায় সরগরম জামপুর ইউনিনস্থ মীরেরবাগ এলাকা ।ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতারকৃত হাবিব,মিঠু ওজয়নালের পরিবারের দাবী সমস্ত কিছু বিল্লালের সাজানো নাটক । । হাবিবের মা অজুফা বেগমের বলা ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত রোববার সোনারগাঁ উপজেলার মীরেরবাগ এলাকায় কাউছার টেক্সটাইল মিলের মালিক কথিত মাদক বিরোধী আন্দোলনের নেতা বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে  চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে রুমা নামের এক নারীকে নির্যাতনের খবর পেয়ে পুলিশ আসে।  বিল্লাল হোসেন পুলিশের উপস্থিতির টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ বাসার ভিতর ঢুকতে গিয়ে দরজায় আঘাত করলে, দরজা খোলার পর রুমের ভিতরে নির্যাতনের শিকার রুমা নামের এক মেয়ে এবং বিল্লাল হোসেনের সাথে আরো দুই তিনজন যুবককে দেখতে পেয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করে। চতুর বিল্লাল গ্রেফতার থেকে বাচার জন্য রুমের বাহির থেকে দরজায় তালা ঝুলিয়ে মসজিদের মাইক দিয়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে লাঠিসোটা দিয়ে পুলিশ ও রুমাসহ সকলকে বেধরক মেরে রক্তাক্ত আহত করে। বহুবার পুলিশের পরিচয় দিয়েও মাদক ব্যবসায়ী বিল্লালের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। মীরেরবাগ এলাকায় ডাকাতির খবর পেয়ে ব্যবসায়ী হাবিব, মিঠু ও জয়নাল সহ সচেতন কিছু ব্যক্তি বিল্লাল মিয়ার ঘরে গিয়ে পুলিশকে মারধর করতে নিষেধ করলে, ঐ এলাকার অসাধু কিছু মাদক ব্যবসায়ী চক্র বিল্লাল মিয়ার সাথে মিলিত হয়ে হাবিব, মিঠু ও জয়নাল সহ তাদের পুলিশের সাথে আটক করে রাখে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ গিয়ে বিল্লাল মিয়া ও তাদের মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সাথে না পেরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-বি) মোঃ সাজিদুর রহমান, সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ ওবায়েদুল হক সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পুলিশ সদস্য সহ সকলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ মিথ্যা ডাকাত নাটকের ঘটনায় নির্দোষ  বিল্লালের হাতে নির্যাতিত নারী রুমা ও ব্যবসায়ী হাবিব, মিঠু ও জয়নালকে সন্দেহাতিত ভাবে দোষারপ করে মিথ্যা মামলার আসামী করা হয়। অন্য দিকে রুমার দাবী অনেক আগে থেকেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিল্লাল বিভিন্ন সময়ে তার বাসায় নিয়ে অসামাজিক কাজ করত । এ ব্যাপারে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মিথ্যা মামলায় জরিয়ে ব্যবসায়ী হাবিব ও মিঠুকে থানা থেকে জেলা হাজতে প্রেরণ করলে গতকাল বুধবার তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ড চাইলে আদালত তা রিমান্ড মঞ্জুর না করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।  জেলা পুলিশ সুপার ও যথাযথ প্রশাসনের কাছে  হাবিবের মা অজুফা বেগমের দাবী সুষ্ঠ তদন্ত করে বিল্লাল মিয়ার মিথ্যা নাটকের কারনে নির্দোষ ব্যবসায়ী হাবিব ও মিঠুকে দ্রুত মামলা থেকে নিস্পত্তি দেওয়ার ।