বিএনপি’র নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবীতে প্রবীণ নেতাদের ক্যাম্পেইন

0
576

Untitled-02
আড়াইহাজার প্রতিনিধি:আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে। এ থেকে বের হওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় দলের নেতাকর্মীরা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। নানা কারণে দলটিকে বেহাল দশার হাত থেকে বের করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। তবে এবার মাঠে নেমেছেন দলটির একঝাঁক প্রবীণ নেতা। বুধবার দিনভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা উঠান বৈঠক করেছেন। বেশ সাড়াও পাওয়া গেছে বলে দাবী করেছেন তারা। তাদের দাবী উপজেলা বিএনপি’র নেতৃত্বে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হলেই কেবল দলটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। তা না হলে দলের ভবিষ্যত অনিশ্চিত। উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন স্তরের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মৃত প্রায় বিএনপিকে বাঁচাতে হলে প্রতিষেধক হিসাবে বিএনপির ত্যাগী ও সাহসী নেতা আনোয়ার হোসেন অনু’ই যোগ্য ব্যাক্তি। তিনি বহুবার জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। তিনিই সবচেয়ে বেশী রাজনৈতিক হয়রানি মূলক মামলার আসামি।

এসময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ শহীদউল্লাহ বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। কারণ অতীতে যারা দলের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছেন। তারা দলের উন্নয়নের জন্য কিছু করেনি। নিজেদের উন্নয়নে তারা বারবার পকেট কমিটি দিয়ে আলোচনার জম্ম দেয়ার পাশাপাশি দলের মধ্যে বিভাজনের সৃষ্টি করেছেন। এতে দলের মধ্যে শুধু ভাঙ্গনই হয়েছে। এখানে এমন কাউকে দায়িত্ব দেয়া হোক, যাতে তিনি নিজের জন্য নয়; দলের জন্য কাজ করবেন। এমনকি নেতাকর্মীদের পাশে ছাঁয়ার মতো কাছে থাকবেন।

এসময় আড়াইহাজার পৌরসভা মুলদলের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী আতিকুর ইবনে নিপু বলেন, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সংকটময় সময়ে একজন সাহসী ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। আমি বিগত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি সাবেক বিআরডি’র চেয়ারম্যান ও বিএনপির নেতা আনোয়ার হোসেন অনু’কে এই মহুর্তে বিএনপিতে অতিবেশী প্রয়োজন। কারণ এই নেতা সর্বসময় দলকে নিয়ে ভাবেন। তিনি অবহেলিত নেতাকর্মীদের পাশে ছাঁয়ার মতো লেগে রয়েছেন। এপর্যন্ত নির্যাতিত কর্মীদের পাশে তিনি নিজের সন্তানের মত পাশে রয়েছেন।

আড়াইহাজার পৌরসভা বিএনপির নেতা মামুন বলেন, বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে অতন্ত্র প্রহোরীর মতো ছিলেন আনোয়ার হোসেন অনু। উদাহারণ স্বরুপ এইনেতা বলেন, আমি নিজেই রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ছয়টি মামলার আসামি। আমার পাশে যখন কেউ ছিল না; তখন অনু ভাই আমাকে বিপদের দিনে সহযোগিতা করেছেন।

ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মনির হোসেন বলেন, উপজেলা বিএনপি ঘুরে দাঁড়ানো অনেক কষ্ট সাধ্য হয়ে যাবে। কারণ এখানে আওয়ামী লীগ অত্যন্ত শাক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। দলের এই ক্লান্তিকালে গ্রহণযোগ্য ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির আগামী কমিটিকে সাহসী ও সাংগঠনিক নেতাকে দায়িত্ব দিতে হবে।

এসময় আনোয়ার হোসেন অনু কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি রাজনীতি করি দলকে ও জনগণকে কিছু দেয়ার জন্য। আমি ব্যাক্তির কর্মী চাই না। দলের কর্মী চাই। আসুন আওয়ামী লীগের দুনীতি, র্দুশাসন,হামলা, মামলা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্র পনুরুদ্ধারে আমরা একসাথে কাজ করি। বর্জন করি আওয়ামী লীগের সাথে আতাঁত। এসময় অনু আহ্বান জানান, জেলা কমিটির নীতি নির্ধারকরা যেন মাঠ পর্যায়ে জরিপ করে আগামী কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটি দিতে কোনো ভাবে যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়; তাহলে বিএনপি সামনে কঠিন সংকটে পড়বে। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির প্রবীণ নেতা বাতেন, জিন্নত আলী, জালু ফকির,শব্দর আলী প্রমুখ।