গণতন্ত্রপুনরুদ্ধারে আন্দোলনের বিকল্প নেই …যুবদলের সভাপতি ছালাউদ্দিন

0
887

Untitled-02 - Copy
স্টাফ রিপোর্টারঃ গণতন্ত্রপুনরুদ্ধার এবং ভোটের অধীকার ফিরে পেতে হলে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা হলো সকল আন্দোলন,সংগ্রামের সূতিকাঘর। আগমী দিনের আন্দোলনকে বেগবান করতে হলে কমিটিগুলোতে ত্যাগী ও শহীদ জিয়ার আর্দশিক নেতাকর্মীদের স্থান করে দিতে হবে। বর্তমানে দলের ক্লান্তিকাল চলছে। সুবিধাবাদীদের কমিটিতে রাখা হলে আন্দোলনের ফল আতুঁড় ঘরেই থেকে যাবে। যেসব নেতারা হামলা, মামলাকে ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন; তাদেরকে কমিটিতে স্থান দেয়া হলে সেটা হবে দলের জন্য বুমেরাং। আগামী কমিটিতে অবশ্যই পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের অগ্রধীকার দিতে হবে। জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছালাউদ্দিন মোল্লা শনিবার একান্ত স্বাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন।

৯০’এর স্বৈর শাসক এরশাদ বিরুদ্ধে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনকারী এই নেতা আরও বলেন, সামনে বিএনপি তথা যুবদলের নেতাকর্মীদের অনেক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। জেল, জুলুম নির্যাতনের শিকার হতে হবে। শহীদ জিয়ার আর্দশকে বুকে ধারণ করে; বেগম জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ছাত্রদল থেকে শুরু করে বিএনপির রাজনীতি করছি। আমি জেলা যুবদলের কমিটিতে সভাপতি প্রার্থী হয়েছি। কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের স্থান হবে। আমি বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রাম যথেষ্ঠ ভুমিকা রেখেছি। সরকারের রোষানলের শিকার হয়ে বেশ কয়েকবার জেল, জুলুমের শিকারও হয়েছি। সবকিছু বিবেচনা করে আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হলে, আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করব।

এসময় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও প্রয়াত যুবদলের সাবেক সহ-সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এএফএম ইকবালকে স্বরণ করে যুবদলের এই নেতা বলেন, আমি প্রয়াত নেতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। প্রয়াত নেতা (ইকবাল) আমাকে রাজনীতিতে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। ইকবাল ভাই শহীদজিয়ার আর্দশের একজন সৈনিক ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ৩০ লক্ষ বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বেগম জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান।