বন্দরে পান ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে পুলিশের টাকা আদায়

0
891

হাজি মোঃ শফিকুল ইসলামঃ বন্দরে এক পাইকারী পান ব্যবসায়ীকে আটক রেখে নির্যাতন চালিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এএসআই রাসেদের বিরুদ্ধে। গত বুধবার রাতে মদনগঞ্জ বসুন্ধরা সড়কের সামনে পান ভর্তি এক ট্রাকে মাদক দ্রব্য আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম(৫৫)কে তুলে নিয়ে যায় এএসআই রাসেদ। এক চায়ের দোকানে রাতভর আটকে রেখে পরিবারের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে শফিকুলকে ছেড়ে দেয়।
ট্রাক চালক আব্দুল কাদির জানান, রাজধানীর শ্যামবাজারের উদেশ্যে বুধবার রাত ৩টার দিকে পানগুলো ট্রাকে লোড করা হচ্ছিল মদনগঞ্জ সড়কে। এসময় বন্দর থানার পুলিশের এএসআই রাসেদ সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে ট্রাকের সামনে এসে অবস্থান নেয়। ওইসময় এএসআই রাসেদ বলেন, ট্রাকে অবৈধ মাদক দ্রব্য রয়েছে। এসময় পানের মালিক মদনগঞ্জ বসুন্ধরা দক্ষিন গেইট এলাকার মৃত হাসান খলিফার ছেলে শফিকুল ইসলাম ট্রাক তল্লাসি করতে বলেন। এ বলার সঙ্গে সঙ্গে এএসআই রাসেদ হাতে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে টেনে হেছড়ে পাশের এক চায়ের দোকানে নিয়ে মারধর শুরু করে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে পরিবারের লোকজন এসে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।
ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান, আমি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যবসা করে আসছে। মঙ্গলবার রাতে চট্রগ্রাম থেকে এক ট্রাক পান আনা হয়েছে। বাজারে পানের দাম নেমে পড়ায় নিজ বাড়ির সামনে আনলোড করা হয়। পরদিন রাজধানীর শ্যামবাজারে পানের দাম উঠেছে বলে বুধবার রাতে পান ট্রাকে লোড করার সময় পুলিশ ধরে নিয়ে মারধর করে । পরে সহকারী দারোগা রাসেদ অর্ধ লাখ টাকা আদায় করে নেওয়ার পর ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনার আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে এএসআই রাসেদ বলেন, পুলিশের সন্দেহে পান ভর্তি ট্রাক তল্লাসি করা হয়। পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম জানান, বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে সত্যতা প্রমানিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।