সোনারগাঁয়ে মাদ্রাসার জায়গা দখলের পায়তারা

0
3167

Untitled-02 - Copy

আজকের সোনারগাঁওঃ মাদ্রাসা নিয়ে আতংকে সোনারগাঁয়ের ভট্টপুর ষোলপাড়া এলাকার বিদ্যানুরাগী লোকজন । তাদের অভিযোগ মাদ্রাসাতুস সিরাতুল মুস্তাকিম ও এতিম খানার জায়গা দখল করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দেলোয়ার নামে এক ভূমি দস্যু । চর এলাকা থেকে সোনারগাঁয়ে এসে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের সাথে আতাত করে দির্ঘদিন যাবত জমির দালালী সহ নামে বেনামে বৈধ অবৈধ জায়গাজমি কিনে এলাকার নিরহ মানুষদের হয়রানী করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে । এবার তার দৃষ্টি পড়েছে মাদ্রাসার জায়গায় । মাদ্রাসাতুস সিরাতুল মুস্তাকিম ও এতিম খানার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী আনিসুল হক জানায় দেলোয়ার তার স্ত্রী তাহমিনার নামে সিএস ও এসএ ২৯ এবং আর এস ২৪৪ খতিয়ানে ১২০ শতাংশের অন্দরে ১৯ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে খারিজ করে এসে আমাদের মাদ্রাসার জায়গা দাবী করে বসে । মাদ্রাসার নামে একই দাগে ৬০ শতাংশের অন্দরে ৩০ শতাংশ জায়গা মুল হিন্দু মালিকদের কাছ থেকে বায়না সুত্রে মালিক হয়ে সেখানে মাটি ভরাট করে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা আবুনাঈম ইকবাল এর ব্যক্তিগত অর্থায়নে পাকা মাদ্রাসা ভবন নির্মান করছি । শনিবার বিকাল ৫ টার সময় দেলোয়ারের স্ত্রী তাহমিনা পুলিশ নিয়ে এসে আমাদের মাদ্রাসার নির্মান কাজে বাধা দিয়ে মাদ্রাসার জায়গা তাদের বলে দাবী করে । মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হাজী রেজাউল করিম ক্ষোভের সহিত বলেন দেলোয়ারের স্ত্রী তাহমিনা এই জায়গার মালিক হলে এতোদিন কেন আসেননি এই জায়গায় ২বছর সাইনবোর্ড লাগানো ছিল তার পর মাটি ভরাট করা হয়েছে । মাটি ভরাট করা হয়েছে একবছর আগে এখন এসে তারা দাবী করছে মাদ্রাসার জায়গা তাদের । একই দাগে খালি জায়গা পড়ে আছে অথচ তারা মাদ্রাসার জায়গা দাবী করছে । মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আরিফুল ইসলাম জানান এলাকার মানুষের দান খয়রাতে চলা মাদ্রাসাটিতে ১২০ জন ছাত্র পড়াশুনা করছে । এদের মধ্যে ৪০ জন এতিম ছাত্র রয়েছে যারা বিনা বেতনে লেখাপড়া করছে পাশাপশি তাদের বরণপোষন করছে মাদ্রসা কতৃপক্ষ । জোরপূর্বক মাদ্রাসার জায়গা এভাবে বেহাত হয়ে গেলে কোথায় দারাবে এই শিক্ষার্থীরা । এলাকার আব্দুল হান্নান, মাসুদরানা, ইমরান সহ আরো অনেকে ক্ষোভের সহিত বলেন জমির সিন্ডিকেট ব্যবসায় ভাটা পড়েছে বলে এখন এসেছে মাদ্রার জায়গা দখল করতে এলাকাবাসী তা হতে দিবেনা । তাদের অবৈধ দাবী এলাকাবাসী মেনে নেবেনা । এব্যপারে দেলোয়ারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্ট করা হলে তাকে পাওয়া যায়নী তবে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন আমার স্বামী দেলোয়ার আমার নামে ১২০ শতাংশের অন্ধরে খালের পাড় চৌহতী উল্লেখ করে ১৯ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে । সেই জায়গা আমি বুঝিয়া পাইতে মাদ্রসার পরিচালক আনিস এবং আরিফের নামে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ করে পুলিশ নিয়ে গিয়ে তাদের বাধা দেই । দির্ঘদিন সাইনবোর্ড থাকা কালিন এবং মাটি ভরাটকরা কালিন কেন বাধা দেননি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন তখন আমার স্বামী আমাকে নিষেধ করেছিল । এ ব্যপারে সোনারগাঁ থানার এসআই সাধন জানান লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে সমস্যা সমাধানের লক্ষে মাদ্রাসার কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলেছি এতে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ আন্তরিকতার সহিত তা মেনে নিয়েছেন ।