মৃত্যুর আগে রাফি খানের ফেইজবুক স্টেটাস ॥ শোক বাড়িয়েছে বন্ধু বান্ধব ও স্বজনদের

0
6325

আজকের সোনারগাওঃ মৃত্যু প্রতিনিয়ত মানুষকে তারা করে। ছাত্রলীগ নেতা রাফি খাঁন রানার সেই মৃত্যু উপলব্দি থেকে তার ফেইস বুক ষ্টেটাসের মাধ্যমে সবাইকে সজাগ করতে করতে মৃত্যু তার কাছে হাজির হয়ে গেল । তার স্টেটাস গুলো পড়ে যে কেউ অনুমান করতে পারবে মৃত্যু ভাবনায় কতটা বিভোর ছিলেন তিনি। “ পৃথিবী আমার আসল ঠিকানা নয়,মরণ এক দিন মুছে দিবে সব রঙিন পরিচয় ।” মার্চ মাসের ৫ তারিখে রাফি রানার পোষ্ট করা ষ্টেটাস আর তার মৃত্যু থমকে দিয়েছে পরিচিত বন্ধুবান্ধব ও স্বজনদের । ৮ মার্চ তিনি লিখেছিলেন “ পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিব এক দিন,কেউবা হাঁসবে কেউবা কাঁদবে,যারা কাঁদবে তাদের উদ্দেশে কেঁদোনা কষ্ট পাচ্ছি,যারা হাঁসবে তাদের উদ্দেশে ক্ষমা করে দিও আমায়। একদিনতো মরতে হবে ,ঘুম আসছেনা কেন জানি মরণের কথা মনে হচ্ছে তাই কথা গুলো লেখলাম । ”  Rana-2নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাফি খাঁন রানা শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মস্তিস্কের অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনের কারনে, ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎিসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহিল…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৪ বছর। ছাত্রলীগ নেতা রাফি খাঁন রানার অকাল মৃত্যুতে রাজনৈতিকবীদ, সু-সুশীল সমাজ, সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সোনারগাঁওয়ের পুরো এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তার স্ত্রী, বাবা, মা, এক ভাইসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাফি খাঁন রানা মৃত্যু আগ পর্যন্ত সোনারগাঁও উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব করছিলেন।  শনিবার কাঁচপুর মন্দির খোলা মাঠে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। রাফি খাঁন রানার বাবা সুলতান খাঁন উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক। তাদের বাড়ি পুরান কাঁচপুর গ্রামে।