দেলোয়ার হোসেনের দাবী তাকে মিথ্যা মামলায় জরানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে

14
2008

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলাধীন সাদিপুর ইউনিয়ণ যুবলীগের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দেলোয়ার  হোসেন জানায় তার  বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও সমাজে হেয় করে একটি কূচক্রি মহল দ্বারা মিথ্যা মামলায় ফাসানোর অপচেষ্টা । তিনি বলেন”গত ২২মে সোমবার জামপুর ইউনিয়নের হাতুড়া পাড়া চান এন্ড সূর্য্য ফিলিং স্ট্যাশন এলাকায় অটোচালক ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাসের ড্রাইভারের সাথে বাক বিতন্ডায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।এসময় আমি নিজ বাড়ী থেকে একটু দূরে খামাড়ে ছিলাম,পরবর্তিতে স্থানীয় নয়াপুর জেনারেল হাসপাতালের মালিকপক্ষের আকিব আমাকে মোবাইল ফোনে মারামারির ঘটনা জানানোর পর আমি এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান  আব্দূর রশীদ মোল্লাসহ সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ মোঃ মন্জুর কাদের ও আরোও অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গের সাথে বাজারে গিয়ে ঘটনা শুনতে পেয়ে স্থানীয় হাসপাতালে গিয়ে আহতদের দেখে আসি এবং এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যেনো তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হয় তার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করি।কিন্তু পরবর্তিতে একটি স্বার্থান্মেসী মহল মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিপ্রায়ে স্থানীয় কিছু পত্রিকার সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে  আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করায়,যা সম্পূর্ণ মনগড়া ও সাজানো গল্পের ন্যায় ভিত্তিহীন।একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিধ ও সফল ব্যবসায়ী সাদিপুর ইউপি যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের বিষয়ে স্থানীয় সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দূর রশীদ মোল্লা বলেন”যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট,কারন ঘটনার সময় সে বাড়ীতে ছিলো আমরা খবর পাওয়ার পর আমার সাথে এবং ওসি সাহেবের সাথে সে আহতদের খোজ খবর নিয়েছে।এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি পরিষদের ৭ নং নয়াপুর এলাকার মেম্বার মোঃ আল আমিন সাংবাদিকদের বলেন”জামপুরের হাতুরাপাড়া এলাকার মারামারির ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন কোন ভাবেই জড়িত না,কারণ ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না।একই ভাবে দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে জানান সাদিপুর ইউপির মহিলা সদস্য রাশিদা বেগম ও নয়াপুর বাজার এবং ঘটনাস্থল চান এন্ড সূর্য্য ফিলিং স্ট্যাশনের আশপাশের জনগন।এদিকে সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর হামলার ঘটনায় প্রকৃত দোষী ৪ জন যথাক্রমে আঃমান্নান,শাহজাহান,ফারুক ও শাহপরানকে প্রধান আসামি করে অঙ্গাতনামা আরোও ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে,এঘটনায় সাদিপুর ইউনিয়ণ এলাকার কেউ জড়িত নেই বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।এই ন্যাক্কার জনক ঘটনা সম্পর্কে সাদিপুর ইউনিয়ণ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জেলা পুলিশকে জানান,তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই ন্যাক্কার জনক ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তী দাবী করছি সেই সাথে এই মামলায় নির্দোষ কোন সাধারণ জনগনকে গ্রেফতার করে হয়রানী না করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

14 মন্তব্য

উত্তর দিন