সোনারগাঁয়ে ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে নিঃস্ব এক পরিবার

0
779

 নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা ছয়হিস্যা গ্রামে ষড়ন্ত্রের স্বীকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে কামরুজ্জামান রানা ও পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে গিয়েও কোনো ফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ছয়হিস্যা গ্রামের জালাল বেপারীর ছেলে কামরুজ্জামান রানা দীর্ঘ দিন ধরে স্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়া লোক পাঠানোর কাজ করে আসছেন। কিন্তু রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গোবধনপুর গ্রামের একরামুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকা জমা দিলে রানা তার টাকা এজেন্সিতে জমা দিয়ে ভিসা এপ্রোভাল করিয়ে নেওয়ার পর শরীফুল ইসলাম রানাকে বিদেশে যাবেনা জানিয়ে টাকা ফেরত চায়। পরে কামরুজ্জামান রানা মানবিক দিক চিন্তা করে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে দুপক্ষের সম্মতিতে সোনারগাঁ থানার তৎকালীন ওসি মঞ্জুর কাদেরের উপস্থিতিতে আপোষনামা দলিলের মাধ্যমে টাকা ফেরত দেন। বর্তমানে সে মেঘনা শিল্পাঞ্চলে কম্পিউটারের দোকান নিয়ে কম্পোজ ও ফটোকপির ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু একটি কুচক্রি মহল শরীফুল ইসলামের পাওনা টাকার পুজি করে গোয়েন্দা পুলিশের মাধ্যমে কামরুজ্জামান রানাকে গ্রেফতার করিয়ে নির্যাতন চালায় ও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত করে। রানার পরিবার শরীফুলকে পুরো টাকা পরিশোধ করার পরও গত ৭ জুলাই ঢাকার গোয়েন্দা ( ডিবি পশ্চিম) পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। বর্তমানে সে জেল হাজতে রয়েছে। এ দিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম রানাকে গ্রেফতারের কারনে আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে রানার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় রানার পিতা জালাল মিয়া পুলিশ হেড কোয়ার্টাসে গত ১৮ জুলাই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে কোনো ফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

কামরুজ্জামান রানার ভাই শামসুজ্জামান জানান, আমার ভাই আগে স্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়া লোক নেওয়ার ব্যবসা করতেন। তবে কিছু লোকজনকে আপোষনামার মাধ্যমে পাওনা টাকা পরিশোধের পরে সে এ ব্যবসা ছেড়ে দেয়। পাওনা টাকাকে পুজি করে ষড়যন্ত্র করছে আর বার বার টাকা নেওয়ার ফন্দি করছে। আমার ভাইকে গ্রেফতারের পর থেকে আমাদের অস্বচ্ছলতা নেমে এসেছে। তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।