যানজটের মহাদূর্ভোগে অতিষ্ট জনজীবন ! কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত ওসির টাকা কামানোর নয়া কৌশল লেগুনা স্টীকার

0
3922

আজকের সোনারগাঁওঃ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ লেগুনা চলাচলের বৈধতা নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনার পরে উপর মহলের নির্দেশে বন্ধ করা হয় লেগুনা চলাচল। কাঁচপুর থেকে মেঘনা পর্যন্ত কয়েকশত লেগুনা চলাচল করত। কয়েকমাস যাবত বন্ধ রয়েছে এসব লেগুনা । এই লেগুনা নিয়ে জমজমাট ঘুষবানিজ্য চালিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ । লেগুনা বানিজ্যের ও নানা দূর্নীতি অনিয়মের কারনে ওসি শরিফুল আলম ক্লোজ হওয়ার পরে ভার প্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব পায় মোঃ তৈয়বুর রহমান । দায়িত্ব পেয়ে অবৈধ ভাবে মহাসড়কে চলাচলকারী অটোরিক্সা চালকদের নানা ভাবে হয়রানী করে টাকা আদায় করে ছেড়ে দেয়ার ফলে মহাসড়কে যুকি নিয়ে এসব অটোরিক্সা চলছেই । বন্ধ নয় টাকা হাতিয়ে নিতে ব্যস্ত হাইওয়ে থানাপুলিশ । সম্প্রতি দেখা গেছে মহাসড়কে চলাচল নিষেধ থাকা সত্বেও কিছু লেগুনা দেদারছে যাত্রী পরিবহন করে দাপিয়ে বেরাচ্ছে মহাসড়কে । আর এই কাজটি যার দাপটে করছে তিনি মোঃ তৈয়বুর রহমান । টাকা কামানোর নতুন কৌশল হিসাবে নিয়েছে টোকেন স্টীকার নামে নতুন বানিজ্য । লেগুনার সামনের গ্লাসে সেটে দেওয়া হয় একটি স্টীকার সেখানে লেখা থাকে “হাইওয়ে পুলিশের কাজে নিয়োজীত সাথে গাড়ির নাম্বার” । মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয় এই স্টীকার বর্তমানে এরকম স্টীকার নিয়ে কাঁচপুর থেকে মেঘনা পর্যন্ত প্রায় ৩০ টি লেগুনা যাত্রী বহন করে মহাসড়কে চলাচল করছে । অন্যদিকে নিত্যদিন লেগে থাকা যানজট নিয়ে তেমন কিছুই করছেনা হাইওয়ে ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ । কাঁচপুর থেকে মেঘনা পর্যন্ত প্রতিদিনের যানজটের মহাদূর্ভোগে অতিষ্ট জনজীবন । অভিযোগ রয়েছে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি করে যানবাহন থেকে চাঁদাবাজী করছে হাইওয়ে পুলিশ। এ ব্যপারে কাঁচপুর হাওয়ে থানার ওসি ( ভারপ্রাপ্ত) মোঃ তৈয়বুর রহমান এর সাথে কথা হলে লেগুনার ব্যপার নিয়ে পরে কথা হবে বলে জানায় ।