সোনারগাঁওয়ে যুবলীগের কার্যালয়ে গুলি বর্ষণকারীদের গ্রেফতারের দাবী যুবলীগ সভাপতি নান্নুর

0
547

আজকের সোনারগাঁওঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যুবলীগের প্রধান কার্যালয়ে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কুতুবপুর এলাকার ইলিয়াস মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে  শনিবার বিকেলে সোনারগাঁও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের এস এস ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের প্রধান কার্যালয়ে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান লিটন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জামান শহীন, আশেক আলীসহ ১৫-২০ জন দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে সভা করছিলেন। এ সময় কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ সভাপতি আবু সাঈদ, যুবলীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, সুমন মিয়া, রিফাত হোসেন, সুমন ওরফে ভাগিনা সুমন সহ ্একদল সন্ত্রাসী গুলি ভর্তি অস্ত্র দিয়ে কার্যলয়ে গুলি বর্ষণ করে। এতে কার্যালয়ের দরজার গ্লাস ছিদ্র হয়ে যায়। তবে অফিসে অবস্থানরত কারো শরীরে গুলি বিদ্ধ হয়নি। খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে এক গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান লিটন বলেন, ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জের ধরেই আমার প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার কার্যালয়ে এসে গুলি চালায়। অল্পের জন্য আমি জীবনে বেঁচে যাই। এদিকে কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ সভাপতি আবু সাঈদ বলেন, আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
সোনারগাঁও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হাজি মো. রফিকুল ইসলাম নান্নু বলেন, যুবলীগ কার্যালয়ে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে তাদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানানো হয়েছে।
সোনারগাঁও থানার ওসি মোরশেদ আলম বলেন, যুবলীগ কার্যালয়ে গুলি বর্ষণের ঘটনার সংবাদ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে রিফাত মিয়া নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা করা হবে।