সোনারগাঁয়ে কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

0
373

আজকের সোনারগাঁওঃ সোনারগাঁয়ে মুখোঁশধারি একটি ছিনতাইকারী চক্র জিয়া উদ্দিন সানি (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। গতকাল সোমবার সকালে কাইকারটেক ব্রিজের পূর্বপাড় এ ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় লোকজন ওই কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করেন। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আহত ওই কলেজ ছাত্র সানি বন্দর উপজেলার কালাগাছিয়া ইউপির সাবদী আইসতলা গ্রামের মহিউদ্দিন শিশিরের ছেলে। সে নারায়ণগঞ্জ কলেজের একাদশ শ্রেণীর প্রথম বর্ষের ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলা মোগরাপাড়া ইউপির ভৈরবদী কালাদরগাঁ গ্রামের হাজী নরু মিয়ার ছেলে সুমন আরো অজ্ঞাতনামা ৪ জনকে নিয়ে গতকাল সোমবার বেলা ১১ টার দিকে একটি সিএনজি নিয়ে কাইকারটেক ব্রিজের পূর্বপাড় অবস্থান করে। এসময় ব্রহ্মপূত্র নদের পশ্চিম পাড় থেকে এক মোটরসাইকেল আরোহী ব্রিজের পূর্বপাড় পৌছামাত্রই মূখোঁশদারি ৫জন সিএনজি থেকে নেমে লোহার রড কাঠের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে দুইজন মোটরসাইকেল ও ৩ জন সিএনজি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। পালিয়ে যাওয়া ছিনতাইকারীদের মধ্যে সুমন নামের একজনকে চিনে ফেলে স্থানীয় লোকজন।
আহত জিয়া উদ্দিন সানি জানান, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সম্ভুপুরা নানা বাড়ির উদ্দের্শে রওনা হয়। আনুমানিক ১১ টার দিকে কাইকারটেক ব্রিজের পূর্বপাড় পৌছামাত্র মূখোঁশ পড়া ৫ জন কিছু বুঝে উঠার আগেই এলোপাথারী ভাবে পিটাতে থাকে। এসময় জীবন বাঁচাতে একজন ঝাপটে ধরে মূখোঁশ খুলে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এসময় অন্যান্যরা গুলি করার শব্দ করলে আমি তাকে ছেড়ে দেই। তখন আমার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে মূখোঁশদারি ৪জনের মম্যে দুইজন মোটরসাইকেল উঠে অন্যরা সিএনজি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় আমার গ্রামের প্রতিপক্ষ হুমায়ুন, রোমান, জামান ও ইমান তাদের সঙ্গে পালাতে দেখা যায়। মূখোঁশ খুলে পড়ে যাওয়া একজনের নাম সুমন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। এসময় স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সোনারগাঁ থানায় উপস্থিত হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোরশেদ আলম জানান, অভিযোগ পাওয়াগেছে। মোটরসাইকেল উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুমনের বাবা হাজী নরু মিয়া জানান তার ছেলেকে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ফাসানোর চেষ্ঠা করা হচ্ছে । ঘটনার সময় আমার ছেলে বাসায় ঘুমিয়ে ছিল ।