সোনারগাঁয়ের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ ! গরিব অভিভাবকদের আহাজারী

0
1216

Untitled-02-Copy-150x150

আজকের সোনারগাঁওঃ সোনারগাঁ উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি বানিজ্যক রূপ নিয়েছে । শিক্ষা বানিজ্যের কারণে গরিব অভিভাবকরা ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া চালিয়ে যাওয়া নিয়ে হতাশায় ভুগছেন । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে হাজী মতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় ছাড়া বাকী প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যলয়ে এস এস সি পরীক্ষার ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে । সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে বারদী রিবর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা আদায় করছে । পাশাপশি বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের এন এ এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে নিচ্ছে ৫ হাজার টাকা । মনারবাগ এলাকার ডাঃ আবুতাহের নামের এক অভিভাবক জানান , এন এ এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিচ্ছে এবং ৪ বিষয় পর্যন্ত ফেল এলাও করেছে । প্রতি ফেল করা বিষয়ৈ ৫ শ টাকা করে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে । আর ইচ্ছে করেই ১ অথবা ২ নাম্বারের জন্য ফেল দেখিয়ে অন্যায় ভাবে টাকা আদায় করছে । যারা ফেল করছে তাদের কাছ থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা আদায় করে নিচ্ছে । এভাবে প্রতিটি স্কুলে চলছে বানিজ্য । অতিরিক্ত টাকা আদায়ের শিক্ষা বানিজ্যে ফুসে উঠছে অভিভাবক সহ সোনারগাঁয়ের সাধারণ মানুষ । জানা গেছে সরকারী ভাবে বোর্ড ফি বানিজ্য ও মানবিক বিভাগের ১১শ ৩৫ টাকা, বিজ্ঞান বিভাগের ১১শ ৯৫ টাকা, প্রতি পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র ফি  ৩শ টাকা । সর্বসাকুল্যে মানবিক ও বানিজ্য বিভাগে ১৪শ ৩৫ টাকা বিজ্ঞান বিভাগের ১৪ শ ৯৫ টাকা । অথচ টাকা নেওয়া হচ্ছে ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা । বৈদ্যেরবাজার এন এ এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন বলেন সবাই অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে তাই আমরাও নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনূর ইসলাম বলেন বারদী রিবর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সত্যতা পেয়েছি তাদের কাছ থেকে খাতওয়ারী হিসাব চাওয়া হলে তারা তা দেখাতে পাড়েনি । এভাবে সব স্কুলকে খাত ওয়ারী হিসাব দিতে বলা হয়েছে । কোন স্কুলকেই অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে দেওয়া হবেনা  । অতিরিক্ত টাকা নিলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে ।