আফরোজা কনায় বিব্রত রবীন্দ্র গোপ । মেলায় নতুনত্ব আনার আশ্বাস এমপি খোকার

0
874

 

আজকের সোনারগাঁওঃ কোনরকম নতুনত্ব ছাড়া একই কবি, একই শিল্পী, একই দৃশ্যপট দীর্ঘ কয়েক বছরের একই রকম আয়োজনে প্রান হারানো সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন মেলার নানা বিষয় উঠে এসেছে .বাংলার প্রধান রাজধানী ঐতিহাসিক সোনারগাঁয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের লাইব্রেরি ভবনের সভাকক্ষে মাসব্যাপী লোককারুশিল্পমেলা ও লোকজ উৎসব ২০১৮ আয়োজনে মতবিনিময় সভায় । বিশৈষ করে কবি, সাহিত্যিক,কন্ঠ শিল্পী, সঞ্চালক একের ভিতর সাত গুনে গুনা¤িœত বলে বার বার যাকে মঞ্চে নিয়ে আসছেন সোণারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিচালক রবীন্দ্র গোপ তিনি আফরোজা কনা । একই ব্যাক্তিকে কেন বার বার এভাবে মঞ্চে আনা হচ্ছে পাশা পাশি কেন মেলায় নতুনত্ব আনা হচ্ছে না এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের নানা পশ্নে বিব্রতবোধ প্রকাশ করে আর্থিক বাজেট কম থাকার কারণ উল্যেখ করে সীমাবদ্ধতার কথা জানান। অন্য দিকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নারায়নগঞ্জ -৩ সোনারগাঁ আসনের এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা মেলায় নতুনত্ব আনার আশ্বাস দিয়ে বলেন মেলা প্রাঙ্গনের পরিবেশ আরো উন্নত করার পাশাপাশি দশৃনার্থীদের নিরপত্তার এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে । নানা রকম উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড এবং সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে সোনারগাঁয়ে জনগনের দোরগোরা পৌছানো জন নেতা লিয়াকত হোসেন খোকা এবারই প্রথম হাল ধরেছেন এই মেলার । এমপির মাধ্যমে এবারের মেলায় নতুনত্ব আসবে এমনটাই আশা করছে সোনারগাঁবাসী । গতকাল ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্দ্র গোপ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ-সদস্য জনাব মোঃ লিয়াকত হোসেন খোকা।

নতুন প্রজন্মের কাছে লোকজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচিতি ও মেলবন্ধনের প্রয়াসে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় আগামী ১মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হবে এবারের উৎসব। দেশীয় সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনে মাসব্যাপী লোককারুশিল্পমেলা ও লোকজ উৎসব চলাকালীন আইন-শৃংঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং লোকজ উৎসবের অনুষ্ঠানমালা বর্ণাঢ্যভাবে আয়োজনের সার্বিক দিক নিয়ে মতবিনিয়ম সভায় আলোচনা হয়।

মেলায় সম্ভাব্য স্টলের সংখ্যা ১৫০টি, কর্মরত কারুশিল্পী প্রদর্শনী স্টল ৩০টি। মাসব্যাপী লোককারুশিল্পমেলা ও লোকজ উৎসব ২০১৮ এর অনুষ্ঠানমালায় থাকবেÑ বাউলগান, পালাগান, কবিগান, যাত্রাপালা, ভাওয়াইয়া-ভাটিয়ালীগান, জারি-সারিগান, হাছন রজারগান, লালন সঙ্গীত, মাইজভা-ারী, মুর্শিদীগান, আলকাপ গান, গায়ে হলুদেরগান, ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শরিয়তী-মারফতীগান, লোককবিতা পাঠের আসর, পুঁথিপাঠ, গ্রামীণ খেলা, লাঠিখেলা, ঘুড়ি ওড়ানো, কাঠের কারুশিল্পের প্রদর্শনী, লোকজজীবন প্রদর্শনী, পুতুল নাচ, বায়স্কোপ, চর্যাগান, লোকগল্প বলা, পিঠা প্রদর্শনী ইত্যাদি।