ছোট সাদিপুরে মিন্টু হত্যা মামলায় সন্ত্রাসী জাকির সহ ১২ আসামী ॥ আতঙ্ক কাটেনি এলাকাবাসীর

0
696

আজকের সোনারগাঁওঃ সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ছোট সাদিপুরে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করাতে পিটিয়ে হত্যা করে মিন্টুকে । হত্যার ঘটনায় মিন্টুর পিতা সামছুল হক সুরুজ বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২ জনকে আসামী করা হয়েছে । যাদের আসামী করা হয়েছে তারা হলেন যথাক্রমে,বন্দেরা গ্রামের রফিকের ছেলে জাকির (২৭),সারোয়ার ওরফে সরবতের ছেলে আলো মিয়া(২৫),বাড়ি মজলিশ এলাকার আশরাফ উদ্দিনের ছেলে হিমেল (২২), শাহআলমের ছেলে স্বপন(২৪),জয়নালের ছেলে শরিফ(২২),রুহুল আমিনের ছেলে অনিক পারভেজ(২১),নাছিরের ছেলে রানা(২২),ছোটসাদিপুর এলাকার মৃত ইউসুফ অালীর ছেলে নূরনবী(২২),ঝর্না(৩৮),বন্দেরা এলাকার রফিক(৫২),রফিকের ছেলে ইব্রাহিম রানা (২৪),মৃত ওহাদ আলীর ছেলে ফজল (৫৮)। অজ্ঞাত রয়েছে আরো ৮ থেকে ১০ জন । মিন্টু হত্যার পরে বাড়ি ঘর ভাংচুর অগ্নি সংযোগ লুটপাট করার ঘটনায় এ পর্যন্ত কোন অভিযোগ করা হয়নি । এসব ঘটনায় আতঙ্ক কাটেনি সাদিপুর এবং বন্দেরা এলাকাবাসীর । আসামী খুজতে এবং নতুন কোন সংঘর্ষ এড়াতে সোনারগাঁ থানা পুলিশ সর্তক অবস্থায় রয়েছে । উল্লেখ সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ছোট সাদীপুর গ্রামের মোতাহারের মেয়ে ডেমরা শামসুল হক উইম্যান্স কলেজ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিতু গত বৃহস্পতিবার কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বন্ধেরা গ্রামের রফিকুলের ছেলে জাকির হোসেন ও তার সহযোগীরা মিতুর পথ রোধ করে অশ্লীল আচরন করে । এ নিয়ে মিতু গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করতে গেলে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জেনে বখাটেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে ঘটনা সংঘরষের রূপ নেয় । ঘটনার পরদিন শুক্রবার সকালে মিতুর মামাতো ভাই সুলতান আহম্মেদ মিন্টু মোগরাপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে জাকির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী তাকে রাস্তায় একা পেয়ে তার উপর হামলা করে পিটিয়ে আহত করে ফেলে রেখে চলে যায় । গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসা দেয়া হয় । রবিবার সকালে আরো উন্নত চিকৎসার জন্য ঢাকা ধানমন্ডী নর্দান হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে|
সুলতান আহম্মেদ মিন্টুর মৃত্যুর খবর তার এলাকায় ছড়িয়ে পরলে ইভটেজারদের বাড়ি ঘরে হামলা চালালে শুরু হয় ধাওয়া পালটা ধাওয়া।
সে সময় ছোট সাদীপুর গ্রামের চার পাচটি বসত ঘরে ভাংচুর,দোকানে লুটপাট ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।