বাংলা ভাষা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনা একই সুত্রে গাথা জয়ের কাব্য কথা… ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম

0
848

 

বিশ্বে আমরাই প্রথম যারা মায়ের ভাষার জন্য প্রান দিয়ে অর্জন করেছি ভাষার স্বাধীনতা । বাংলা ভাষার জয় গাথা নিয়ে কথা হয় লল্ডন প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম মিন্টুর সাথে । ভাষা শহীদদের স্মরণ করে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন,
১৯৫২ সালে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছেন রফিক,জাব্বার,সালাম ,বরকত সহ অনেকেই । আমরা চিরদিন বুকের গভীরে স্মরনে রাখব তাদের আত্ম ত্যাগের কথা । যারা মায়ের ভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা চাইতে গিয়ে তৎকালিন বর্বর স্বৈরাচারি সরকারের র্নিদেশে পুলিশের বন্দুকের গুলিতে রাজপথে লুটিয়ে পরেছিল । আমরা চিরদিন স্মরণ করব তাদের ।
“মাতৃভাষার প্রতি যার ভালবাসা নেই ,দেশের প্রতি যে তার ভালবাসা আছে এ কথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় ” কথা গুলো যিনি বলেনছেন তিনি সর্বকালের সেরা বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । ১৯৭১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকা কালিন বাংলা একাডেমির এক সভায় এসব বলেছিলেন । ১৯৭২ সালের সংবিধানে তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভায়া হিসাবে গ্রহন করেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এটাই ছিল বাংলা ভাষায় প্রনিত সংবিধান ।বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মুল নায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন,“বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব ভাষা আন্দোলনেরই সুদূর প্রসারী ফলশ্রুতি”
এই মহান নেতা বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি আদায় এবং বাংলা ভাষা ও বাংলা ভাষীদের আন্তজার্তিক অঙ্গনে পরিচয় করে দিয়েছিলেন । ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে সেই ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর যে দিন আমাদের নেতা বিশ্ব নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আমাদের মুখের ভাষা মায়ের ভাষা বাংলায় ভাষন দিয়েছিলেন । বিশ্ব সভায় বাঙলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এটাই ছিল প্রথম পদক্ষেপ । অন্য দিকে তাঁর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের সফল প্রচেষ্টায় ২০১০ সালে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা হিসাবে স্বকৃৃতি লাভ করে ২১ শে ফেব্রুয়ারি দিনটি । এক কথায় বলা যায় বাংলা ভাষা,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনা একই সুত্রে গাথা জয়ের কাব্য কথা ।