গজারিয়ার জাহাঙ্গীর ডাকাত সোনারগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত,

0
3156

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের জামপুর ইউনিয়নের মীরেরবাগ এলাকায়  সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুখ্যাত ডাকাত জাহাঙ্গীর (৩৮) নিহত হয়েছে। ডাকাতদের গুলিতে কনস্টেবল ইউসুফ ও লুৎফর রহমান নামে দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশ উপজেলার তাহেরপুর পাঁচআনি গ্রামের আঃ রশিদের ছেলে স্বপন (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল বেপারীর ছেলে মাসুম (৪৩), চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিন থানার নারগাঁও গ্রামের মানিক হোসেনের ছেলে নাজমুল (২২), মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার বলাকী গ্রামের আঃ বাতেনের ছেলে আলমগীর (২৪) ও নরসিংদী জেলার মধাবদী থানার মধাবদী গ্রামের মৃত খলিলের ছেলে রুবেল (২৫) নামে ৫ ডাকাতকে জনতার সহায়তায় আটক করে।
পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি ধারালো ছোরা, দুইটি চাপাতি, একটি রামদা এবং একটি কলাপসিবল গেট কাটার যন্ত্র উদ্ধার করে।

সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোরশেদ আলম পিপিএম জানান, নিহত ডাকাত জাহাঙ্গীর মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার লঘুরচর গ্রামের আশেক আলী বেপারীর ছেলে। ডাকাত জাহাঙ্গীর তার বাহিনী নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁও, আড়াইহাজার, বন্দর ,মুন্সীগঞ্জ ও গজারিয়া থানায় ১২টিরও বেশি ডাকাতি ও খুনের মামলা চলমান রয়েছে।

গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামপুর ইউনিয়নের মীরেরবাগ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি কালে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) জসিমউদ্দিন, এসআই আ. হক সিকদার, এসআই আবুল হাসান, এসআই ইসহাক মিয়া, এএসআই মজিবুর রহমানসহ সোনারগাঁও থানার তিনটি টিম দুর্ধর্ষ ডাকাত জাহাঙ্গীর ও তার বাহিনীর সদস্যদের চারদিকে ঘিরে ফেলে।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে কনস্টেবল ইউসুফ ও লুৎফর রহমান নামে দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন।

এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ডাকাত দল গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়। পরে মসজিদে মাইকিং করলে এলাকাবাসীর সহায়তায় ওই ৫ডাকাতকে আটক করে। তাদের প্রত্যকের বিরেুদ্ধে ৪-৫টি করে ডাকাতির মামলা রয়েছে। এদিকে বন্দুকযুদ্ধের পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ডাকাত জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে তাকে ঘোষনা করেন।