আনন্দবাজার এলাকার ছানাউল্লাহ হত্যাকারীদের গ্রেফতার চায় বাবা মিছির আলী

0
806

গত ৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সানাউল্লাহকে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নবী হোসেনের ও তাই ভাই নজরুল বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। পরের দিন ১৮ ঘণ্টাপর নবী হোসেনসহ ২২জনকে আসামী করে নিহতের বাবা হাজি মিছির আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের খামারগাঁও এলাকার হাজি মিছির আলীর ছেলে মুদি দোকানি সানাউল্লাহ হত্যা ঘটনার ২০দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেননি। অন্যদিকে গত ১৮ এপ্রিল বুধবার রহস্যজনকভাবেই হত্যা মামলাটি নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এতে নিহতের বাবা হাজি মিছির আলীসহ তার পরিবারের সদস্যরা মামলাটি সুষ্ঠভাবে তদন্ত নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পরেছে।
মামলার বাদি হাজি মিছির আলী জানান, সানাউল্লাহ হত্যা মামলাটি তুলে নিতে আসামী আমিরাবাদ (টেকপাড়া) গ্রামের মৃত শহিদুল্লাহ মেম্বারের ছেলে নবী হোসেনের ও নজরুলের নেতৃত্বে আল আমিন, আমির, রুহুল আমিন ও অন্যান্য আসামীরাসহ তাদের সহযোগী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ঘুরাফেরা করছে। নিহতের পরিবার আসামীদের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পরেছে।
এদিকে নিহতের বাবা হাজি মিছির আলীর অভিযোগ, হত্যাকারীরা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে প্রশাসনকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সোনারগাঁও থানা থেকে মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে নিয়ে যায় আসামীরা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নবী হোসেন ও তার শ্বশুর ইসমাইল মেম্বার মিলে গত ৬ বছর যাবত আনন্দবাজার এলাকায় মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে কোটি কোটি ঘনফুট বালু অবৈধভাবে উত্তোলণ করে বিক্রি করে কোটি পতি বনে গেছে তারা। তাদের এই অবৈধভাবে উপার্জনকৃত টাকার বিনিময়ে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির পদটি বাগিয়ে নেয় নবী হোসেন এবং আনন্দবাজার এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিন গঠন করে নানা ধরনের অপকর্মেও রাম রাজত্ব কায়েম করছে। যুবলীগ নেতা নবী হোসেন ও তার ভাই নজরুলের মৃত শহিদুল্লাহ মেম্বার ছিলেন, নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযুদ্ধা গফুর ও রফিক হত্যা মামলার অন্যতম আসামী।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।