বন্দরের ধামগড়ে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার ফলে রিক্সা চালক আক্তারের বসতভিটা নদীগর্বে,প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন

0
523

এম ডি অনিক ঃ অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার ফলে অসহায় এক রিক্সা চালকের বসতভিটা,গোলার ধান,গবাধি পশু,ফসলী জমিসহ, ফলের গাছ নদী গর্বে বিলীন হয়ে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।গতকাল সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলাধীন ধামগড় ইউনিয়ণের হালুয়াপাড়া এলাকায় আলী আহম্মেদের ছেলে রিক্সা চালক আক্তার হোসেনের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়,দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ নিজ পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছে। সম্প্রতি হালুয়াপাড়া এলাকার পানি নিস্কাশনের জন্য রাস্তার পাশ দিয়ে ড্রেনের ব্যবস্থা করার পর থেকে সারা গ্রামের বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি এই ড্রেন দিয়ে যাওয়ার ফলে অতিরিক্ত শ্রোতের কারণে গ্রামের সর্বশেষে রিক্সা চালক আক্তারের বসত ভিটা ভেঙ্গে নদীতে পরে যায়।রিক্সা চালক আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের জানান,রাস্তার পাশের এই ড্রেনের পানি আমার বসত ভিটার উপর দিয়ে যাওয়ার কারনে আমার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৫ শতাংশ বসত ভিটার তিনটি ঘর,গোলার ধান,গবাদী পশু ও  ফলের গাছ রাতারাতি নদী গর্বে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আমি এখন সহায় সম্বলহীন হয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছি। এ বিষয়ে ধামগড় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুম আহম্মেদ বলেন,খবর শুনে আমি আক্তারের বাড়িতে গিয়েছি,তার ক্ষতিপূরণের জন্য আমি ব্যক্তিগত ভাবে চেষ্টা করছি,স্থানীয় মেম্বার আবু সাঈদকেও ব্যবস্থা নিতে বলেছি।তাছাড়া রিক্সা চালক আক্তারের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি। এ ব্যাপারে বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিন্টু বেপারী বলেন,বিষয়টি আমি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জেনেছি,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার লিখিত দরখাস্ত করলে আমি পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করবো।এদিকে ঘর বাড়ি হারিয়ে নিস্ব হয়ে প্রায় পাগল অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটাচ্ছে অসহায় রিক্সা চালক আক্তার হোসেন ও তার পরিবার।এমতাবস্থায় একজন অসহায় রিক্সা চালক ও তার পরিবারের সহযোগিতায় স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একেএম সেলিম ওসমান,চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ ও উপজেলা প্রশাসন যেনো সার্বিক সহযোগিতা করেন এমনটাই দাবী অসহায় রিক্সা চালক আক্তারসহ এলাকাবাসীর।