প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডি.লিট ডিগ্রি পাওয়ায় আড়াইহাজারবাসীর পক্ষে ড.হাবিবুরের অভিনন্দন

0
477

আড়াইহাজার প্রতিনিধি:গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন থেকে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডি.লিট) ডিগ্রি পাওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আড়াইহাজারবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন মহাসচিব (বিভিএ) এবং বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো লিখিত একটি বার্তায় তিনি অভিনন্দন জানান।

প্রসঙ্গত শনিবার ২৬ মে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তন ও তৃতীয় বার্ষিক সমাবর্তনে এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর সাধন চক্রবর্তী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ছোট বোন শেখ রেহানা, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং দু’দেশের শিক্ষাবিদ, কবি, শিল্পি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দু’দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শেখ হাসিনা সকলকে ক্ষুদ্র স্বার্থ ও সাম্প্রদায়িকতার উর্ধ্বে ওঠার এবং মানুষ হিসেবে মর্যাদার উন্নয়নে নজরুলের শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। এসময় তিনি আরও বলেন, ‘মানবজাতির একজন সদস্য হিসেবে প্রত্যেককেই কেবল নিজের কর্মস্থলেই নয় বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানবতার মর্যাদা সবার উপরে তুলে ধরতে হবে।’ কবির জন্মদিনের কবির জন্মস্থানে আসতে পেরে এবং কবির নামের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি গ্রহণ করতে পেরে শেখ হাসিনা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। ‘আমি মনে করি এই সম্মান কেবলমাত্র আমার একার নয় বরং এই সম্মান বাংলাদেশের জনগণের’-উল্লেখ করে তিনি ডিগ্রি প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে নজরুলকে ঢাকায় নিয়ে আসনে এবং তাঁর চিকিৎসা ও বাংলাদেশে বসবাসের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গবন্ধু তাকে নাগরিকত্ব প্রদান করেন এবং তাঁকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেন।