আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষিত || সোনারগাঁওয়ে জোর করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

0
371

 

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনাঘাট ইসলামপুর এলাকায় আল মোস্তফা গ্রুপের ৭৯ শতাংশ জায়গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও করে পূর্ব দখলের চেষ্টা করছে বলে আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
সোনারগাঁও উপজেলার অন্তর্গত চররমজান সোনাউল্লা মৌজার আরএস ১নং খতিয়ানের আরএস ৩৫৩৫, ৩৫৩৬ ও ৩৫৩৭নং দাগের ৫০শতাংশ খাস জমি ৪৬৮৫নং দলিল মূলে গত ৪ এপ্রিল ২০১৭ইং তারিখে এবং একই মৌজার আরএস ১নং খতিয়ানের আরএস ৩৫৩৩, ৩৫৩৪নং দাগের ৩৯ শতাংশ খাস জমি গত ১৮ জুলাই ২০১৭ইং তারিখে ৯০৮৯নং দলিল মূলে মোট ৭৯শতাংশ জমি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক হেরিটেজ পলিমার এন্ড লেমি টিউবস লিমিটেডকে দীর্ঘ মেয়াদী ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্তো দলিল মূলে হস্তান্তর দখলাদী বুঝাইয়া দেয়। পরে গত ২মে ২০১৭ ও ২২আগস্ট ২০১৭ইং তারিখে প্রশাসক হেরিটেজ পলিমার এন্ড লেমি টিউবস লিমিটেডের কর্ণধার মোঃ মোস্তফা কামাল তার প্রতিষ্ঠানের নামে সোনারগাঁও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে নামজারী পর্চা ডি.সি.আর খাজনা আদায় করে রশিদ প্রাপ্ত হন। হেরিটেজ পলিমার এন্ড লেমি টিউবস লিমিটেডের কর্ণধার মোঃ মোস্তফা কামাল জানান, গত ১২জানুয়ারী ২০১৮ইং তারিখ থেকে বিভিন্ন সময়ে আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের পক্ষ নিয়ে ম্যানেজার দুলাল মিয়া স্থানীয় ইসলামপুর গ্রামের কয়েকজন মাদকাসক্ত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে হেরিটেজ পলিমার এন্ড লেমি টিউবস লিমিটেডের ইটের তৈরী দেয়াল ভেঙ্গে জায়গা জোর দখলের চেষ্টা চালায়।
ওই সময় খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আল মোস্তফা গ্রুপের জমি রক্ষা করেন। এ ঘটনার পর হেরিটেজ পলিমার এন্ড লেমি টিউবস লিমিটেডের কর্ণধার মোঃ মোস্তফা কামাল, গত ১৮জানুয়ারী ২০১৮ইং তারিখে নারায়ণগঞ্জ জেলা সোনারগাঁও সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মোকাদ্দমা নং ১২/২০১৮ দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালতের সিনিয়র জজ মোঃ নিয়াজ মাহমুদ ১৫১ ধারা মোতাবেক ওই জায়গায় নিষেধাজ্ঞা জারী করেন।
এদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আল মোস্তফা গ্রুপের জায়গা জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে বলে আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
এ ব্যাপারে আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের ম্যানেজার দুলাল মিয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা আল মোস্তফা গ্রুপের জায়গা দখল করতে যায়নি। ওই জায়গা এমনিতেই পড়ে রয়েছে। ওই জায়গা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আমাদের সঙ্গে আল মোস্তফা গ্রুপের মামলা চলছে।