৬ মাস আগে মৃত সেতারাকে জীবিত উদ্ধার করল কক্সবাজার পিবিআই

0
429

আজকের সোনারগাঁওঃ মানুষ মরে গেলে আর জীবিত হয়না । এটা চিরন্তন সত্য । তবে কখনো কখনো মানুষ মুখে মুখে মানুষকে মেরে ফেলে । তৈরী করে কাল্পনিক কাহিনি । সত্য মিথ্যা গোজামিল দিয়ে থানায় কিংবা আদালতে মামলা করা হয় । পুলিশ তদন্তে বেড়িয়ে আসে থলের বিড়াল । এমই একটি ঘটনা গটেছে কক্সবাজার এলাকায় । ছয় মাস আগে বাবা আদালতে মামলা দিয়েছেন তার মেয়েকে ঘুম করে হত্যা করেছে তার জামাতা ও জামাতার পরিবার । আদালতের নির্দেশে পুলিশ তদন্তে নামে আর বেড়িয়ে আসে সত্য ।
কক্সবাজার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ২০১১ সালের ২২ জুলাই কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বড়ইতলী ইউনিয়নের ভিলেজারপাড়া এলাকার নবী হোসেনের মেয়ে সেতারা বেগমের (২২)সঙ্গে ওই এলাকার রফিকুল ইসলাম বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে স্বামী রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা সেতারাকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছি। তাদের সংসারে নুসরাত জাহান মিতু (৬) নামে একটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু গত বছরের ৫ মে ব্যবসার জন্য স্বামী রফিকুল ইসলাম স্ত্রী সেতারা বেগমকে বাবার বাড়ি থেকে এক লাখ টাকা এনে দিতে বলেন। তিনি তা আনতে অস্বীকৃতি জানালে শিশু কন্যাসহ সেতারাকে হত্যার পর লাশ গুম করার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কক্সবাজার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে জানতে পারেন যে ‘হত্যার পর গুম’ হওয়া নুসরাত জাহান মিতু ও সেতারা বেগম জীবিত আছে। শনিবার সকালে কক্সবাজার পিবিআই অফিসে সেতারা বেগমকে সাংবাদিকদের সামনে আনা হলে তিনি বলেন,‘স্বামী রফিকুল ইসলাম বিয়ের পর থেকে যৌতুকসহ নানা কারণে আমাকে নির্যাতন করত। তার সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরাও তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক মারধর করতো। পরিবারের এই অমানুষিক বির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সবার অজান্তে গোপনে চট্টগ্রামে পালিয়ে যাই।