কৃষকলীগের প্রবীন নেতা আলহাজ্ব আঃ খালেকের আক্ষেপ ! বৃদ্ধ হলে দলের কোন নেতা খবর রাখেনা

0
807

আজকের সোনারগাঁওঃ যদি রাত পোহালে শোনা যেত, বঙ্গ বন্ধু মরে নাই.. গানের কথাগুলো যথন কানে বাঝে রক্তে শিহরণ জেগে উঠে । যৌবনে হারিয়েছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে । যখন শুনেছি শেখ মুজিবুর রহমানকে কিছু বিপথগামী লোক হত্যা করেছে বঙ্গবন্ধু আর দুনিয়াতে নেই। একথা শুনে আমি দা নিয়ে বেরিয়েছিলাম ঘর থেকে । গায়ে শক্তি ছিল রক্ত গরম ছিল মেনে নিতে পারি নাই বঙ্গবন্ধুর মৃত্য । বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে আজও বেচে আছি । কিন্তু বৃদ্ধ বলে আওয়ামলীগের কোন নেতা কর্মী আমার আজ কোন খবর রাখেনা । এটা উচিৎ নয় কারন অর্থের লোভে নয় রাজনীতি করেছি নীতি আদর্শ নিয়ে। বিলিয়ে দিয়েছি অর্থ বিত্ত । যতদিন বেচে থাকব গরীব মেহনতী মানুষের জন্য যা পারি করে যাব । আক্ষেপ শুধু একটাই বৃদ্ধ হলে কেন নিজ দলের নেতারা খবর রাখেনা । কথাগুলো বলেছেন সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চেলারচর এলাকার দানবীর সোনারগাঁ উপজেলা কৃষক লীগের প্রবীন নেতা আলহাজ আঃ খালেক ।

তিনি আরো বলেন, সোনারগাঁয়ের আওয়ামীলীগের কান্ডারী এ্যাডভোকেট সাজেদ আলী মোক্তারের হাত ধরে আমার রাজনীতি শুরু । দাপটের সহিত করেছি বাংলাদেশ কৃষকলীগ । এ্যাডভোকেট সাজেদ আলী মোক্তারের মৃত্যুর পর রাজনীতি করেছি প্রয়াত আবুল হাসনাতের সাথে । আজ তার সন্তান কায়সার হাসনাত তার ভাই মোশারফ হোসেন কিংবা আওয়ামীলীগের কোন নেতাই আমার খোজ খবর নেয়না । আমার কোন কিছুর অভাব নাই শুধু দলীয় নেতা কর্মীরা প্রবীন নেতাদের মুল্যায়ন করে একটু খোজ খবর নিবে এটাই প্রত্যাশা । ৯৮ বছরের বৃদ্ধ আলহাজ আঃ খালেক ১৯৫০ সালে এসএসসি পাশ করেছিলেন ।

তিনি তার এলাকায় ৩৩ শতাংশ জমি দান করে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন ১০৩ নং দিশারী প্রাথমিক বিদ্যালয় । প্রতিষ্ঠাকালিন সভাপতি ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন স্কুললটি তিনি পরিচালনা করেছেন। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন চেলারচর ইসলামী পাঠাগার । প্রতষ্ঠিা করেছেন আলহাজ্ব আঃ খালেক ফাউন্ডেশন । যেখান থেকে গরীব অসহায় লোকদের সহায়তা করা হয় । গরীব বাবার কন্যাদানে দেয়া হয় আর্থিক সহায়তা ।