না’গঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে অদক্ষ কর্মীদের জন্য দুর্ভোগে গ্রাহকরা

0
172

নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অদক্ষ কর্মীদের জন্য গ্রাহকরা যার পর নাই দুর্ভোগে পড়ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সব অদক্ষ কর্মীদের জন্য প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হয়ে সময় ও অর্থ সবই অপচয় হচ্ছে পাসপোর্ট প্রার্থীদের। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাসপোর্ট অফিসে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রি করার জন্য যে সব কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাদের বেশির ভাগই গ্রাহকের তথ্য কম্পিউটারে লিপিবদ্ধ করার সময় অমনোযোগের কারণে প্রায়শই ভুল করে আসছে। এভাবে ভুল ডাটা এন্ট্রির কারণে পরে পাসপোর্টটি বাতিল করে নতুন করে টাকা জমা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হয়।

কখনও কখনও গ্রাহকরা তাদের ভুল ধরিয়ে দিলেও বানান সংশোধনের নামে ফাইল দিনের পর দিন ফেলে রাখে। যার কারনে ইমারজেন্সী পাসপোর্ট করতে আসা গ্রাহকরা আর দ্রুত পাসপোর্ট হাতে পান না, গুনতে হয় উল্টো জরিমানা। নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের আগের উপ-সহকারী পরিচালক মাকসুদুর রহমান বদলির পর নতুন কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান আসার পর থেকে পাসপোর্ট কর্মীরা ঝিমিয়ে পড়েছেন।

পাসপোর্ট করতে আসা গ্রাহকরা দুর্ভোগে পরছেন প্রতিনিয়ত। সম্প্রতি পাসপোর্ট করতে আসা সুজন নামের এক গ্রাহক জানালেন, তিনি গত সপ্তাহে ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করতে যান। ছবি তোলার পর তার পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপে হাতে পেয়ে বাবার নামের ভুল দেখতে পান। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে তাদের জানান। উপ-পরিচালককেও বিষয়টি জানান তিনি। কিন্তু এটি সংশোধনের কোন উদ্যোগ না নিয়ে শুধু লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করে এক সপ্তাহ ফেলে রাখেন। ক্ষোভের সঙ্গে ওই ভূক্তভোগী বলেন আমি ইমারজেন্সী পাসপোর্ট করে কি সুফল পেলাম?

আরেক ভুক্তভোগী জানালেন, আমি পাসপোর্ট করতে দিয়েছি ১মাস হলো। ডেলিভারি তারিখ পার হয়ে গেছে অনেক আগেই কিন্তু এখনো হাতে পাইনি। এখন বলছে পাসপোর্ট পিন্টে আছে পরে যোগাযোগ করবেন। এ ব্যাপারে উপ-সহকারী পরিচালক মাকসুদুর রহমানের মোবাইলে একাদিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পাসপোর্ট করতে আসা ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমান উপপরিচালকের আসলে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকেই ডাটা এন্ট্রিতে খামখেয়ালি হচ্ছে। তাদের ভুলের জন্য আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে। বিষয়টি ঊধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আনুরোধ জানান।

উত্তর দিন