অধ্যক্ষ সুলতানের টাকার খনি জিআর ইনিষ্টিটিউশন স্কুল এন্ড কলেজ !

0
403

 

আজকের সোনারগাঁওঃ টাকা ছারা কিছুই চিনেনা অধ্যক্ষ সুলতান ! শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টাকার খনি বানিয়ে নিজের পকেট ভারি করছেন তিনি । বিভিন্ন সময় নানারকম দূর্নীতির খবর প্রকাশ পেলেও খুটিরজোরের কারনে কিছুই হয়না তার । সম্প্রতি টাকার জন্য শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট করতেও নিয়েছেন ভিন্ন প্রক্রিয়া । সময়মত বেতন দিতে না পারায় ১০৯ জন পরিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সোনারগাঁ জিআর ইনিষ্টিটিউশন স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সুলতান মিয়ার বিরুদ্ধে।পরিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে পরিক্ষার্থীর অভিভাবকরা ও স্থানীয় কাউন্সিলর প্রতিষ্ঠানে ছুটে আসেন। পরে তারা অধ্যক্ষকে বকেয়া বেতন পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিলে পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষা দিতে দেন অধ্যক্ষ।স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, আগামী-২০ সালের এসএসসি পরিক্ষার টেষ্ট পরিক্ষা গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়।

এতে প্রতিষ্ঠানটিতে তিনটি বিভাগে মোট ২৭৬ পরিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় বাংলা ২য়পত্র পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ শিক্ষকদের নির্দেশ দেন যাদের বেতন বকেয়া আছে তাদের পরিক্ষার খাতা না দিয়ে হল থেকে বের করে দিতে। অধ্যক্ষের এ আদেশে বাধ্য হয়ে শিক্ষকরা মানবিক বিভাগের ২৯জন, বানিজ্য বিভাগে ৪২জন ও বিজ্ঞান বিভাগে ১৬ জন পরিক্ষার্থীকে খাতা না দিয়ে হল থেকে বের করে দেন। এ খবর প্রতিষ্ঠানের অন্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট দিলে তা কয়েক মিনিটের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

ফেসবুকে পরিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে দেয়ার খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবক কমিটির সদস্য দুলাল মিয়া ও পরিক্ষার্থীর অভিভাবকরা। তারা অধ্যক্ষের রুমে গিয়ে দু’একদিনের মধ্যে পরিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধ করবে বলে অঙ্গিকার করলে অধ্যক্ষ তাদের পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে দেন।নাম না প্রকাশ করা শর্তে শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া হয়েছে। আমরা বলেছি আস্তে আস্তে পরিশোধ করে দিয়ে দিবো তারপর স্যার আমাদের পরিক্ষার খাতা না দিয়ে হল থেকে বের করে দেন। আমরা অনুরোধ জানালেও তিনি আমাদের কোন কথা শুনতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর দুলাল জানান, পরিক্ষার্থীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করার খাতা না দিয়ে হল থেকে বের করে দিয়েছে। এ খবর শুনে আমি দ্রুত বিদ্যালয়ে গিয়ে অধ্যক্ষকে অনুরোধ করি বেতনের জন্য পরিক্ষার্থীরা পরিক্ষা দিতে না পারলে তাদের জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে। আমি কথা দিলাম পরিক্ষার্থীরা বেতন না পরিশোধ করলে আমি পরিশোধ করবো বলে অনুরোধ করলে তিনি তাদের পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে দেন।এ ব্যাপারে সোনারগাঁ জিআর ইনিষ্টিউশন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সুলতান মিয়ার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংএ আছে বলে ফোনটি কেটেদেন। তার ঘন্টাদুয়েক পর আবারও যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উত্তর দিন